প্রতিটি সুডোকু পাজলে ৯×৯ গ্রিড থাকে, নয়টি ৩×৩ ব্লকে বিভক্ত। প্রতিটি সারি, কলাম বা ব্লকে নয়টি ঘর থাকে। কিছু ঘরে আগে থেকেই অঙ্ক ভরা থাকে; সেগুলো বদলানো যাবে না। যত বেশি ঘর আগে থেকে পূর্ণ, পাজল তত সহজ।
এবার বাকি ঘরগুলো ১ থেকে ৯ দিয়ে পূরণ করতে হবে—একমাত্র নিয়ম: প্রতিটি সারি, কলাম বা ব্লকে অঙ্কের পুনরাবৃত্তি থাকবে না।
তাই ১–৯-এর প্রতিটি অঙ্ক প্রতিটি সারি, কলাম ও ব্লকে মাত্র একবার আসে।
কঠিন মনে হচ্ছে? বোর্ড ধীরে ধীরে স্ক্যান করতে শুরু করুন—প্রতিটি সূত্র ধরে ধরে পাজল মিটে যাবে।
সব কৌশল দ্রুত শিখতে সহজ স্তরে সুডোকু শুরু করুন। এমন ব্লক পাবেন যেখানে মাত্র এক বা দুই অঙ্ক অনুপস্থিত—উদাহরণ: ৩×৩ ব্লকে যদি কেবল ৫ আর ৯ বাকি থাকে, বাকি দুই ঘরে ৯ আগে, ৫ পরে, অথবা উল্টো—দুইটি বিকল্প।
কোনটি ঠিক? ৫ বসিয়ে পুরো সারি, তারপর কলাম দেখুন—কোনো সারিতে/কলামে কি দ্বিতীয়বার? একইভাবে ৯ দিয়ে যাচাই করলে সঠিক সিদ্ধান্ত পাবেন।
একই কৌশল প্রায় ভরা সারি বা কলামে ব্যবহার করুন—যেখানে কেবল একটি অঙ্ক বা দুইটি অঙ্ক স্পষ্টভাবে বাকি, যথাক্রমে সোজা উত্তর বা দুই বিকল্প চেষ্টা করুন।
আরও সারি, কলাম ও অঞ্চল প্রায় পূর্ণ হতে থাকলে সব স্পষ্ট হয়ে ওঠে—প্রতিটি চালে পুরো ছবি পরিষ্কার হয়।
কঠিন পাজলে 'স্ক্যানিং' নামে উন্নত কৌশল: সমাধান হয়ে গেলে ১–৯-এর প্রতিটি অঙ্ক পুরো পাজলে মোট নববারই থাকে—এই ধারণা কাজে লাগান।
গ্রিডে যে অঙ্ক সর্বাধিক বার আছে, সেটা বেছে নিন (আর এক-দু'বার বসানো বাকি)—গ্রিডের পাশের কীবোর্ডে কত অঙ্ক বাকি আছে দেখানো হয়। ধরুন সেটা ৪।
গ্রিডের প্রতিটি ৪ থেকে কাল্পনিকভাবে অনুভূমিক ও উলম্ব রেখা টানুন (একই সারি/কলামে আর একটি ৪ বসানো যাবে না)—কোন ঘরে ৪ যাবে, তা দ্রুত স্পষ্ট হবে।
কোনো কৌশলই হোক, সবচেয়ে কাজে আসে ক্যান্ডিডেট 'পেন্সিল' করা। কাগজের সুডোকুর মতো ঘরে ছোট নোটে সম্ভাব্য অঙ্ক লিখে রাখা যায়।
'নোট' আইকনে ক্লিক করলে—প্রতিটি অঙ্ক ছোট নোট হিসেবে থাকে। আবার ক্লিক করলে বড় চূড়ান্ত অঙ্ক মোড; মন বদলালে মুছেও নিতে পারবেন।
'আনডু' ও 'মুছুন'—বোর্ডের ডানে আইকন—এও সাহায্য করবে।
সেটিংস (গিয়ার আইকন) খুলে বিভিন্ন ত্রুটি হাইলাইট মোড চেষ্টা করুন—সঠিক ক্যান্ডিডেট দ্রুত খুঁজে পাওয়ার অপরিহার্য।